Showing posts with label গুগুল এডসেন্স. Show all posts
Showing posts with label গুগুল এডসেন্স. Show all posts

Thursday, October 29, 2015

ইন্টারনেটের মাধ্যমে আয়: গুগল এডসেন্স একাউন্ট এর অনুমোদন পাওয়ার জন্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়


-ফখরুদ্দীন মানিক
আমরা জানি গুগল এডসেন্স বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি পি.পি.সি. এডভার্টাইজিং প্রোগ্রাম কারণ তারা পাবলিশারদের সবচেয়ে বেশি পে করে থাকে। প্রায় সকল ব্লগার এবং ওয়েবমাষ্টাররাই চায় গুগল এডসেন্স দিয়ে তাদের সাইট/ব্লগ মনিটাইজেশন করার জন্য কিন্তু অনেকেই এডসেন্স একাউন্ট এর অনুমোদন পায় না আবার অনেকে পেলেও কিছুদিনের মধ্যেই তাদের একাউন্ট ব্যান হয়ে যায়। বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে অনেকেই বলে যে তারা এডসেন্স একাউন্ট এর অনুমোদন পায় না। কিন্তু আপনি যদি এডসেন্স একাউন্ট এর আবেদন এর পূর্বে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর নজর রাখেন তাহলে খুব সহজেই একাউন্ট এর অনুমোদন পেয়ে যাবেন সাথে সাথে আপনার একাউন্ট ব্যান হবারও কোন সম্ভাবনা থাকবে না।
চলুন দেখে নেওয়া যাক এডসেন্স একাউন্ট এর অনুমোদন পাওয়ার জন্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
১. নিজস্ব এবং টপ লেভেল ডোমেইন নেম
এডসেন্স এর অনুমোদন পাওয়ার জন্য ডোমেইন নাম অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। অনেক নতুন ব্লগাররা দেখা যায় যে ব্লগস্পট, ওয়ার্ডপ্রেস, উইবলী ইত্যাদিতে সাব-ডোমেইন দিয়ে একটি ব্লগ করে তার জন্য এডসেন্স এর অনুমোদন চায় কিন্তু তারা পান না। তাই আপনাকে অবশ্যই একটি ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনে ব্লগ/সাইট বিল্ডাপ করে তারপর এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হবে। আর টপ লেভেল ডোমেইন বলতে মূলত .কম, .নেট, .ওআরজি কে বুঝায়। কিভাবে একটি ভালো, কার্যকরী এবং টপ লেভেলের একটি ডোমেইন কিনবেন তা বিস্তারিত দেখুন এইখানে।
২. ডোমেইন এর বয়স
এডসেন্স একাউন্ট পেতে ডোমেইন এর বয়স আরেকটি গুরুত্বপূর্ন বিষয়। সাধারণত বাংলাদেশ থেকে এডসেন্স একাউন্ট এর অনুমোদন পেতে আপনার ডোমেইন এর বয়স কমপক্ষে ৩-৪ মাস হতে হবে (৬ মাস হলে ভালো হয়)। ৩-৪ মাসের মধ্যে আপনি আপনার ব্লগ/সাইটে ভালো কিছু কন্টেন্ট দিন আর সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর আনার জন্য ভালোভাবে এস.ই.ও. এর কাজ করুন।
৩. ইউজার ফ্রেন্ডলী ব্লগ/সাইট ডিজাইন এবং নেভিগেশন
আপনার ব্লগ/সাইট এর ডিজাইন অবশ্যই ইউজার ফ্রেন্ডলী হতে হবে। আপনাকে অবশ্যই গুগল এর ওয়েব ডিজাইন গাইডলাইন অনুযায়ী আপনার ব্লগ/সাইট এর ডিজাইন করতে হবে। অন্যথায় আপনি এডসেন্স একাউন্ট এর অনুমোদন পেলেও পরবর্তীতে আপনার একাউন্ট ব্যান হবার সম্ভাবনা থাকবে।
৪. কিছু গুরুত্বপূর্ণ পেজ তৈরী করুন
একটি ব্লগ বা সাইটের জন্য কিছু পেজ (যেমনঃ প্রাইভেসি পলিসি পেজ, এবাউট পেজ, কন্টাক্ট পেজ ইত্যাদি) অনেক গুরুত্ব বহন করে যা অনেক নতুন ব্লগাররাই তাদের ব্লগ সাইটে পাবলিশ করতে ভুলে যান। এই পেজগুলো গুগল অনেক পছন্দ করে এবং আপনার ব্লগকে আরো বেশী ইউজার ফ্রেন্ডলী করে তোলে।
৫. কন্টেন্ট সম্পর্কে সচেতন থাকুন
গুগল এডসেন্স পলিসি অনুযায়ী আপনি আপনার সাইট/ব্লগে কোন কপিরাইটেড কন্টেন্ট, ইমেজ বা ভিডিও পাবলিশ করতে পারবেন না। এতে করে আপনি এডসেন্স এর অনুমতি পাবেন না, আর যদিও পান তাহলে পরবর্তীতে আপনার একাউন্ট ব্যান হয়ে যাবে। তাই ব্লগে কপিরাইটেড কোন কিছু পোষ্ট করা থেকে বিরত থাকুন।
৬. পোষ্ট লিমিট
এডসেন্স এ আবেদন করার পূর্বে আপনার ব্লগে কমপক্ষে ৪০-৫০টি পোষ্ট থাকলে খুব সহজেই আপনি এডসেন্স এর অ্যাপ্রুভাল পেয়ে যাবেন। মনে রাখবেন পোষ্টগুলো যাতে কমপক্ষে ৫০০-৬০০ ওয়ার্ড এর মধ্যে হয় এবং কিছু পোষ্ট যাতে ১০০০-১৫০০ ওয়ার্ড এর মধ্যে হয়।
৭. নাম, ইমেল এবং বয়স এর ভেরিফিকেশন
অনেকেই নাম এবং ইমেল ভেরিফিকেশন কে গুরুত্ব দেয় না, কিন্তু এটাও এডসেন্স এর অনুমোদন পাওয়ার জন্য একটি ফ্যাক্টর। আপনার ব্লগের এবাউট এবং কন্টাক্ট পেজ এ অবশ্যই আপনার আসল নাম আর ইমেইল আইডি দিবেন।
এডসেন্স এর অনুমোদন পেতে আপনার বয়স অবশ্যই কমপক্ষে ১৮+ হতে হবে।
৮. সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর আনুন
এডসেন্স থেকে ভালো পরিমান উপার্জন করতে হলে সার্চ ইঞ্জিন থেকে অবশ্যই ভালো পরিমান ভিজিটর আপনার ব্লগে আসতে হবে। প্রতিদিন কমপক্ষে ২০০-৩০০ ভিজিটর হলে খুব সহজেই এডসেন্স এর অনুমোদন পেয়ে যাবেন।
৯. অন্যান্য এড নেটওয়ার্ক অপসারণ করুন
আপনি যদি বর্তমানে ব্লগে অন্য কোন এড নেটওয়ার্ক (যেমনঃ ইনফোলিঙ্কস, চিঠিকা ইত্যাদি) ব্যবহার করে থাকেন তাহলে এডসেন্স এর জন্য আবেদন করার পূর্বে অবশ্যই ঐ এড নেটওয়ার্কগুলো ব্লগ থেকে অপসারণ করতে হবে।
১০. পেইড ট্রাফিক
এডসেন্স এর পলিসি অনুযায়ী আপনার ব্লগের জন্য পেইড ট্রাফিক ব্যবহার করতে পারবেন না। যদি ব্যবহার করে তাহলে এডসেন্স অ্যাপ্রুভাল পাবেন না।

Sunday, October 11, 2015

কিভাবে গুগল এডসেন্স থেকে দিনে ৫ থেকে ১০ ডলার আয় করবেন ? এডসেন্স, টিপস



ইন্টারনেট ব্যবহার করে আয় করার জন্য গুগল এডসেন্স অত্যন্ত কার্যকর একটি পদ্ধতি। এই প্রক্রিয়ায় আমি মাসে বেশ ভালমানের অর্থ উপার্জন করছি আপনি যদি আমার মত গুগল এডসেন্স থেকে আয় করতে চান তবে আমার নিবন্ধগুলো ভালভাবে পড়ুন উপকৃত হবেন।
অনেক ব্লগার বা ওয়েবসাইট পরিচালক রয়েছেন যাদের কাছে অর্থ উপার্জনের অন্যতম প্রদান মাধ্যম হচ্ছে গুগল এডসেন্স কিন্তু গুগল এডসেন্স এবং এর কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে আপনার ভালধারনা না থাকলে আপনি গুগল এডসেন্স থেকে ভাল আয় করতে পারবেননা।
বিশ্বের অনেক প্রকাশক রয়েছেন যারা গুগল এডসেন্স ব্যাবহার করে থাকে কিন্তু সঠিক কর্মপদ্ধতি না জানার কারনে তারা গুগল এডসেন্স থেকে ভালমানের অর্থ উপার্জন করতে পারেনা । অধিকাংশ খুদ্র ব্লগ প্রকাশকের কাছে দৈনিক ৫ থেকে ১০ ডলার আয় করাটা স্বপ্নের মত অনেকেই তাদের দৈনিক কয়েক সেন্ট আয়কে কয়েক ডলারে পরিনত করতে চান তাদের জন্য এই নিবন্ধটি অত্যন্ত সহায়ক হবে বলে আশা করি ।
কিভাবে গুগল এডসেন্স থেকে দিনে ৫ থেকে ১০ ডলার আয় করবেন ?

গুগল এডসেন্স থেকে আপনি যদি দৈনিক ভালমানের আয় করতে চান তবে সবচেয়ে প্রথমে যে বিষয়টি আসবে তা হল ভিজিটর আর বেশি ভিজিটর পাওয়ার সবচেয়ে ভাল পদ্ধতি ভালমানের ওয়েবসাইট । আপনি যদি ভালমানের ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন তবে ভাল পাঠক পাবেন ।

তাই ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরির পূর্বে মনে রাখতে হবে ভিজিটরের আগ্রহ থাকে এমন কোন বিষয়ের উপরে ওয়েবসাইট নির্মাণ করা উচিৎ । গুগল শুধুমাত্র একটি সার্চ ইঞ্জিন নয় এটি একটি কৃত্তিম মেধা সম্পন্য রোবটও । কোন ওয়েব সাইট সম্পর্কে মানুষের আগ্রহ বেশি, কোথায় কত ভিজিটর যায়, কতক্ষন থাকে, কি কি ধরনের পাঠক ব্লগে আসছে, কোন কোন দেশ থেকে আসছে ইত্যাদি তথ্য গুগল সবসময় মনে রাখে।
দিনে ৫ থেকে ১০ ডলার আয় করার জন্য আপনাকে দৈনিক নুন্যতম ২০০০ জন পাঠকের ব্লগ থাকতে হবে এবং সার্চ ইঞ্জিন থেকে আগত পাঠকের পরিমান বেশি হতে হবে ফলে দৈনিক গড়ে ৫-১০ ডলার আয় করা সম্ভব হবে ।
আপনার ব্লগটি অবশ্যই গুগল এডওয়ার্ড এর ভাল এবং মুল্যবান কিওয়ার্ড ভিত্তিক তৈরি হতে হবে এক্ষেত্রে কম পাঠক নিয়েও আপনি আপনার দৈনিক আয়কে অনেকাংশে বৃদ্ধি করতে পারবেন । উধাহরনস্বরূপ বলা যায় গাড়ী, ইনস্যুরেন্স, লাইসেন্স ইত্যাদি কিওয়ার্ড এর মুল্য অনেক বেশি প্রায় ১০ থেকে ৩০ ডলার পর্যন্ত ।
ইউনিক এবং ভালমানের তথ্য ব্লগে রাখতে হবে অন্যথায় আপনার ক্লিক ভ্যালু কমে যাবে এবং প্রচুর পাঠক নিয়েও আপনার লাভ হবেনা কারন এর ফলে আপনার আয় অর্ধেকের চেয়েও বেশি কমে যাবার একটা সম্ভাবনা থাকছে ।
“ওল্ড ইস গোল্ড” কথাটি একেবারেই সত্য আপনি এবং আপনার ব্লগ গুগলের কাছে যত পুরাতন হবেন গুগল আপনার ব্লগ এবং আপনার প্রোফাইলকে তত জনপ্রিয় করে তুল্বে । এটি ঠিক আমাদের সামাজিক সম্পর্কের মতই একটি ব্যাপার আবার আপনি যদি প্রতারনামুলক কিছু করেন তাহলে গুগল আপনাকে এবং আপনার ব্লগে পাঠক না পাঠিয়ে সাজা দেবে ।
কখনোই প্রতারনার আশ্রয় নেবেন না ধরুন আপনি দিনে ৫ থেকে ১০ ডলার আয়ের জন্য পিটিসি সাইটে কয়েক ডলার দিয়ে হাজার হাজার পাঠক কিনলেন অথবা স্প্যাম পাঠকের সহায়তা নিলেন এক্ষেত্রে গুগলের এনালাইস্টিক টুলস আপনার সাইটের স্প্যাম নোটিফিকেশনটি ঠিকই গুগলের সার্চ বিভাগে পৌঁছে দেবে ফলে আপনি গুললের কাল তালিকাভুক্ত হয়ে যাবেন তাই সবসময় পরিস্কার থাকার চেস্টা করুন । সময় আপনাকে নাড়া দেবেই।
প্রতিনিয়ত আপনার ব্লগ থেকে মুল্যবান কিছু পাঠকের উদ্দেশ্যে দিন যেমন ইবুক কারন এর মাধ্যমে আপনি সহজেই জনপ্রিয়তা পাবেন ।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশটি নিয়ে লিখছি আপনাকে অবশ্যই আপনার সাইটের জন্য বিজ্ঞাপন অপ্টিমাইজেশন করতে হবে এবং ট্রাফিক বৃদ্ধি না করেই কিভাবে গুগল এডসেন্স এর আয় বৃদ্ধি করবেন সে সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিবন্ধ আমি পূর্বেই প্রকাশ করেছি আপনি তা দেখতে প্রদর্শিত লিংকগুলোতে ক্লিক করুন ।

পরিশেষে ভাল আয় করার জন্য অবশ্যই ভালমানের কিওয়ার্ড পছন্দ করা উচিৎ তানাহলে ভাল ট্র্যাফিক নিয়েও আপনার আয় হবে যৎসামান্য । তাই এদিকটাতে গুরুত্বদিয়ে কাজ করুন আপনার দৈনিক আয় সহজেই ৫ থেকে ১০ ডলারের মাঝে অবস্থান করবে ।

Saturday, October 10, 2015

কিভাবে গুগল এডসেন্স এর অর্থ উত্তোলন করবেন ?

জনপ্রিয় বিজ্ঞাপনসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গুগল বাংলাদেশী অ্যাডসেন্স পাবলিশারদের জন্য একটি সুখবর নিয়ে এসেছে । গুগল অ্যাডসেন্সের টাকা এখন থেকে সরাসরি বাংলাদেশের ব্যাংকে পাওয়া যাবে। আগে বাংলাদেশী গুগল এডসেন্স প্রকাশকরা চেকের মাধ্যমে অর্থ বাংলাদেশে নিয়ে আসতো যা ছিল অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ এবং জটিল প্রক্রিয়া তবে বর্তমানে চেকের বদলে ব্যাংকে ওয়্যার ট্রান্সফারের মাধ্যমে অর্থ ঘরে আনা যাবে খুব সহজেই।
আন্তর্জাতিক ওয়্যার ট্রান্সফার চেকের পরিবর্তে দ্রুত, সহজ ও নিরাপদ একটি মাধ্যম। বর্তমানে অ্যাডসেন্স প্রকাশকেরা আগের পদ্ধতির জায়গায় নতুন পদ্ধতিতে অ্যাকাউন্ট হালনাগাদ করার মাধ্যমে এ সেবা পাবেন। পেমেন্টের নতুন এ ওয়্যার ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে গুগল বাড়তি কোনো খরচ নেবে না। এখন অ্যাডসেন্স প্রকাশকদের ব্যাংকে যোগাযোগ করে প্রাপ্ত তথ্য দিয়ে অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্টে লগ-ইন করে তথ্য সংযুক্ত করতে হবে। বাংলাদেশে অবস্থানরত অ্যাডসেন্স প্রকাশকেরা দেশীয় যেকোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এই সুবিধা পাবেন। তবে ব্যাংক ওয়্যার ট্রান্সফারের জন্য বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো বিভিন্ন ধরনের ফি গ্রহন করে থাকে তাই আপনার ব্যাংক একাউন্ট এর সাথে গুগল একাউন্ট সংযুক্ত করার পূর্বে ব্যাংক ফি সম্পর্কে ভালভাবে জেনে নিন ।
কিভাবে গুগুল এডসেন্স এর সাথে ব্যাংক একাউন্ট যোগ করবেন ?
এটি খুবই সহজ একটি পদ্ধতি এর জন্য নিম্নলিখিত পদ্ধতিগুলো অনুসরন করুনঃ-
১, প্রথমে আপনার গুগল এডসেন্স একাউন্টে প্রবেশ করুন
Home  Google AdSense
২, বামদিকে লক্ষ্য করুন পেমেন্টস নামক একটি মেনু পাবেন সেখান থেকে পেমেন্ট সেটিংস এ চলে যান
৩, অতঃপর Add bank account বাটনে ক্লিক করুন ।
payment
৪, এই জায়গাটি গুরুত্বপূর্ণ এখানে সঠিক ভাবে আপনার-
i, ব্যাংক একাউন্ট নাম,
ii, ব্যাংকের নাম,
iii, ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার, এবং
iv, BIC code ( Bank Identification Code) প্রদান করুন এবং সেভ করুন । আপনি যদি আপনার ব্যাংকের সুইফট কোড বা BIC code সম্পর্কে জানতে চান তবে “বাংলাদেশের সকল ব্যাংকের Swift Code/ BIC Code” নিবন্ধটি দেখুন ।
ব্যাস নিশ্চিন্ত থাকুন কারন এখন থেকে আপনার গুগুল এডসেন্স একাউন্ট এর আয় সরাসরি আপনার নিজের ব্যাংক একাউন্টে জমা হয়ে যাবে।
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ
যারা গুগল এডসেন্স নিয়ে কাজ করছেন তারা নিজের ব্যাংক একাউন্টটি আপগ্রেড করে ইন্টারনেট ব্যাংক একাউন্ট ব্যাবহার করুন তাহলে আপনি ঘরে বসেই আপনার ব্যাংকের অর্থ দেখতে পাবেন । ভাল থাকবেন এই কামনায়।

Thursday, August 6, 2015

গুগল এডসেন্স প্রকাশকদের জন্য ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা কখনো করা যাবেনা



আপনি যদি একজন নতুন গুগল এডসেন্স প্রকাশক হন তবে আপনাকে বেশ কিছু বিষয় সম্পর্কে অবগত থাকতে হবে যা কখনোই করা যাবেনা। কারন নতুন অধিকাংশ প্রকাশকের গুগল এডসেন্স একাউন্ট বাতিল হয় শুধুমাত্র এই কয়েকটি বিষয়ের উপরে ভাল ধারনা না থাকার জন্য।
গুগল এডসেন্স কত্রিপক্ষ তাদের নিয়ম কানুনের ব্যাপারে খুবই কঠোর আপনি যদি কোন কারনে তাদের নিয়ম ভঙ্গ করেন তবে এডসেন্স যেকোনো সময় আপনার একাউন্ট বাতিল করতে পারে । মনে রাখবেন একবার এডসেন্স বাতিল হয়ে গেলে আপনি খুব বিপদে পড়বেন তাই এই নিবন্ধটি ভালভাবে পড়ুন।
নিম্নে আমি নতুন প্রকাশকদের জন্য সহায়ক একটি তালিকা প্রনয়ন করেছি যা করা থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকতে হবে এবং কোন প্রকাশক যদি তা করে তবে তাকে সতর্ক করে দিতে হবে এর মাধ্যমে নতুন গুগল এডসেন্স প্রকাশকরা উপকৃত হবে বলে আশা করি।
১, কখনোই নিজের বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবেন না
অনেকেই না বুঝে নিজের বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে এতেকরে গুগল এডসেন্স সহজেই সেই প্রতারনা কারিকে ধরে ফেলে এবং তার একাউন্ট বাতিল করে দেয়। গুগল এডসেন্স জিওগ্রাফিক্যাল ট্র্যাকিং এর মাধ্যমে সহজেই ডিটেক্ট করতে পারে বিজ্ঞাপনে ক্লিককারীর অবস্থান । এ সম্পর্কে অর্থাৎ গুগল এডসেন্স কত্রিপক্ষ বা টিম কিভাবে ট্র্যেকিং করে সে বিষয়ে আগামীতে একটি এডভাঞ্চড নিবন্ধ প্রকাশ করবো । তো যাই হোক এটি কখনোই করা যাবে না ।

২, বিজ্ঞাপনে ক্লিক করার জন্য অন্যকে অনুপ্রানিত করা
আপনি হয়ত ভাবছেন নিজের বিজ্ঞাপনে নিজে ক্লিক করতে পারবোনা তো কি হয়েছে আমার বন্ধু বান্ধবকে আমার বিজ্ঞাপনে ক্লিক করতে বলবো। মনে রাখবেন গুগল খুব সহজেই আপনার এই প্রতারনাকে ধরে ফেলবে। অন্যকে কিল্ক করতে বলা বা নিজের বিজ্ঞাপনে নিজেই ক্লিক করা ব্যাক্তিদের একাউন্ট একবার বাতিল হয়ে গেলে তারা আর তাদের একাউন্ট সচল করতে পারবেন না। এক কথায় স্থায়ীভাবে বাতিল।

৩, কখনো নিজের বিজ্ঞাপন কোডকে পরিবর্তন করবেননা
গুগল এডসেন্স এর বিজ্ঞাপন কোডকে কখনোই পরিবর্তন করার চেস্টা করবেননা । যদি আপনি গুগল এডসেন্স এর বিজ্ঞাপন কোডকে পরিবর্তন অথবা সংযোজন করে প্রকাশ করেন এবং গুগল তা ধরতে পারে তবে আপনার একাউন্ট বাতিল হয়ে যাবে। তবে আপনি গুগল এডসেন্স একাউন্টের ভিতর থেকে বিজ্ঞাপনের পরিবর্তন করতে পারবেন সহজেই এতে কোন সমস্যা নেই।

৪, কখনো ছবির নিচে বিজ্ঞাপন দেবেন নাঃ
গুগল কিন্তু ছবি পড়তে পারেনা তাই অনেকেই পূর্বে এক ধরনের ট্রিক্স ব্যাবহার করত যেমন ছবিতে লিখত নিম্নের বিজ্ঞাপনে ক্লিক করুন জাতীয় শব্দ। অথবা ছবি এবং বিজ্ঞাপন এমন ভাবে যুক্ত করা হত যাতে পাঠক বুঝতেই পারতনা কোনটি বিজ্ঞাপন আর কোনটি ছবি। তাই গুগল বাধ্য হয়ে তাদের ব্যাবহারের নীতিমালার পরিবর্তন করে । ভুলেও কখনো বিজ্ঞাপনকে ছবির সঙ্গে বা নিচে যুক্ত করে প্রকাশ করবেন না এতে করে আপনার একাউন্ট বাতিল হয়ে যেতে পারে।

৫, অসমর্থিত ভাষায় এডসেন্স যুক্ত করা যাবে না
গুগল এডসেন্স শুধুমাত্র গুটিকয়েক ভাষা সমর্থন করে এর বাহিরের কোন ভাষায় যদি আপনি ব্লগ পরিচালনা করেন তবে কখনোই তাতে গুগল এডসেন্স ব্যাবহার করা যাবে না। গুগল এডসেন্স যে ভাষাগুলো সমর্থন করে তার তালিকা দেখতে এই লিংকটি অনুসরন করুন ।

৬, অতিরিক্ত বিজ্ঞাপন ইউনিট ব্যাবহার করা
তথ্য সম্ব্রিদ্ধ্য ব্লগ বা ওয়েবসাইটের পাতার জন্য জন্য সর্বোচ্চ তিনটি বিজ্ঞাপন ইউনিট ব্যাবহার করা যেতে পারে অর্থাৎ আপনি আপনার একটি পাতার জন্য সর্বোচ্চ তিনটি বিজ্ঞাপন ইউনিট ব্যাবহার করতে পারবেন এর অতিরিক্ত বিজ্ঞাপন ইউনিট ব্যাবহার করলে আপনার একাউন্ট বাতিল হয়ে যেতে পারে।

৭, আপনার বিজ্ঞাপন কোডকে কোন খারাপ সাইটে যুক্ত করলে
গুগল এডসেন্স থেকে শুরু করে প্রায় অধিকাংশ সংস্থা পর্ণো রোধে পর্ণো সাইটগুলোতে বিজ্ঞাপন সমর্থন করে না । তাই আপনার বিজ্ঞাপন কোডকে কোন পর্ণ সাইটে যুক্ত করবেন না । এছাড়াও জুয়া, পোকার ইত্যাদি কোন সাইটেও বিজ্ঞাপন প্রচার করা যাবেনা।

৮, কপিরাইট উপাদানে বিজ্ঞাপন প্রচার করা যাবেনা
আপনার ব্লগটি যদি অন্যের কপি করা নিবন্ধে পরিপূর্ণ থাকে তবে কখনোই সেই কপিরাইট যুক্ত পাতা গুলোতে বিজ্ঞাপন দেবেননা কারন এডসেন্স কপিরাইট যুক্ত নিবন্ধ পছন্দ করে না এতে করে আপনার একাউন্ট বাতিল হবার সম্ভাবনা থাকে।

৯, ক্রয় করা ভিজিটরঃ
বিভিন্ন বাক্স বা এ জাতীয় সাইট থেকে ট্র্যাফিক কেনা যাবেনা। বাক্স সাইটে মাত্র ২-৫ ডলার ব্যয় করলেই এক হাজার ট্র্যাফিক পাওয়া যায় কিন্তু মনে রাখবেন এই ভিজিটরগুলো কিন্তু আপনার ব্লগের জন্য কোন উপকারে আসবেনা বরঞ্চ হাজার হাজার ট্র্যাফিকের জঞ্জালে আপনার সাইটের গতি শ্লথ হয়ে যাবে এবং এদসেন্স আপনার একাউন্ট বাতিল করবে। এধরনের ট্র্যাফিক নিয়ে অনেকেই দিনে ১০০ ডলার পূর্বে আয় করেছে আবার অনেকের একাউন্ট বাতিল হয়ে গিয়েছে কিন্তু বর্তমানে গুগল এই বিষয়টি খুব গুরুত্বসহকারে নিয়েছে তাই এরকম কিছু করার আগে সচেতন থাকুন।

১০, অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়
যেকোনো হিংস্র বা ভয়ঙ্কর এমন কিছু, হ্যাকিং বা ক্র্যাকিং, ক্যাসিনো, মাদক দ্রব্য জাতীয় যেমন বিয়ার বা অ্যালকোহল জাতীয় কিছু, আগ্নেয়াস্ত জাতীয় এমন কিছু ব্লগে বা ওয়েবসাইটে গুগলের এডসেন্স ব্যাবহার করা যাবেনা।

পরিশেষে, সৎ থাকুন নিজের সাইটের মান উন্নয়নে কাজ করুন আপনাকে আয়ের চিন্তা করতে হবেনা বা একাউন্ট হারানোর ভয় করতে হবেনা । সৎভাবে ব্লগিং করুন সফলতা আপনার দ্বারপ্রান্তে । নিবন্ধটি পড়ে যদি আপনার মনে কোন প্রশ্ন জাগে বা আপনার কোন অংশে সমস্যা মনে হয় তবে সংকোচ না করে নিম্নে মন্তব্যের ঘরে জমা দিন আমি প্রতিটি মন্তব্য খুব ভালভাবে পড়ি এবং সাধ্যমত জবাব দেওয়ার চেস্টা করি।